বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪
Home Blog Page 3

বরিশালে বিএনপির সমাবেশে নেতা কর্মীদের ঢল।

বিসিএন২৪ডেস্ক:  চারটি বিভাগে সমাবেশ সম্পন্ন করার পর আজ ৫ই নভেম্বর পঞ্চম বিভাগ হিসেবে বরিশালে সমাবেশ করছে বিএনপি।নেতা কর্মীদের অংশ গ্রহণে পরিপূর্ণ হয়েছে গিয়েছে সভা স্থল।

তবে আজ ৫ই নভেম্বর সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দুই  দিন আগ থেকে সভা স্থালে চলে এসেছেন অনেক নেতা কর্মী।

বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, বিএনপির সমাবেশ ঘিরে বরিশালেও মালিক পক্ষ বন্ধ করে দিয়েছে গণপরিবহন।বিএনপির নেতারা আরও বলেন,গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়ার পেছনে সরকারই দায়ী।মালিক পক্ষের অবরোধের কারণে বরিশাল থেকে ছাড়ছে না কোনো বাস। বন্ধ রয়েছে লঞ্চসহ সবধরনের নৌযান।যার ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুরো বরিশাল।যানবাহন বন্ধ থাকার কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে।

 

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেয়া ক্রেমলিনের উদ্বেগ

বিসিএন২৪ডেস্ক:রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অবৈধভাবে এলাকা দখল করেছেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছেন, সামরিক সংরক্ষণকারীদের ডেকেছেন এবং পারমাণবিক উত্তেজনা বৃদ্ধির হুমকি দিয়েছেন।

সন্তানকে পারফেক্ট সময়ে বিয়ে করানো অভিভাবকদের দায়িত্ব-গায়ক আসিফ

বিসিএন২৪ডেস্ক:গায়ক আসিফ তার ছেলেকে বিয়ে করিয়ে,তার ফেসবুক পেইজে অভিবাবকদের উদ্দেশ্যে একটি পোস্ট দেন। আমাদের পাঠকদের জন্য আসিফের পোস্টটি হুবহু নিম্মে তুলে ধরা হলো।

আমি বিয়ে করেছি উনিশ বছর তিন মাস বয়সে। বলা যায় বেগমের ভালবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই সেই প্রেশার কুকার গিলে ফেলা। জীবনের বাঁকে বাঁকে ঠোক্কর খেয়েও আমাদের সংসার টিকে আছে এবং কলেবর বাড়ছেই- আলহামদুলিল্লাহ। আমার দুই ছেলের বয়স বাইশ হওয়া মাত্রই তাদের পিছনে আঠার মত লেগে আছি বিয়ে করানোর জন্য। তাই রণ’র সম্মতি পাওয়া মাত্রই আর কালক্ষেপন করিনি। ছাব্বিশ বছরে আমাদের রণ এখন গর্বিত বিবাহিত পুরুষ।

জীবনকে খুব কাছে থেকে নিরীক্ষণ করার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। পড়াশোনা শেষ, তারপর চাকরী পেলে ছেলের বিয়ে দেয়া মার্কা ফর্মূলায় আমি নেই। গ্র্যাজুয়েশনের পরপরই বিয়ে দেয়াটা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়। এর একটু আগেও হতে পারে, তবে কোনভাবেই ছাব্বিশের পরে যাওয়া উচিত না। নতুন মুখ এলে এমনিতেই পরিবারে আনন্দ আসে, একঘেয়েমী কেটে যায়।

ছেলে প্রতিষ্ঠিত হলে নিজের জায়গায় চলে যাবে, তার আগেই জীবনের যতটুকু নির্যাস নেয়া যায় সেটাই আনন্দ। দায়িত্বশীলতা আসে সন্তানের চিন্তাজগতে। পরিবার থেকে পাওয়া সহযোগীতাগুলো সে মনে রাখে, নিজের ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও পরিবারের সদস্যদের আগলে রাখার চেষ্টা করে।

সন্তানকে পারফেক্ট সময়ে বিয়ে করানো অভিভাবকদের দায়িত্ব। অজুহাত বাদ দিয়ে সাহস করে এগিয়ে এলে উপায়ও বেরিয়ে আসবে। যে ঝুঁকি নেয়না তার সুখী হওয়ারও কোন কারন থাকা উচিত নয়। জীবনটা উপভোগের, ক্যালকুলেটর নয়। সংসারে বউ আসলে সময়গুলো রঙ্গীন হয়, মানিয়ে নেয়ার জন্য সময় পাওয়া যায়। আমি বাল্যবিয়ে করলেও রণ’র বিয়ে পারফেক্ট সময়েই হয়েছে, আর দুটো বছর আগে হলে আরো ভাল হতো। সন্তানদের ঘরমুখী এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল হিসেবে তৈরী করতে সঠিক সময়ে বিয়ে করানো আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সন্তানের বিয়ে নিয়ে এখনো ইতস্ততবোধে আছেন যারা, তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। আমি একজন সফল সংসারী মানুষ, সেই এঙ্গেল থেকে ফ্রি টিপস দিলাম। স্মার্ট গার্ডিয়ান হউন, সঠিক কাজটি করুন।

ভালবাসা অবিরাম…

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির জনক মহান মুক্তিযোদ্ধার ঘোষক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ঘর আলো করে জন্মগ্রহণ করেন আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ফজিলাতুন্নেছা”র জোষ্ঠ্য সন্তান।

তিনিও বাবার মত একজন দুঃসাহসিক ও সকল অবস্থায় চ্যালেঞ্জিং পরীক্ষিত নেত্রী। জান নেতৃত্বে এখন বলিয়ান বাঙালি জাতি। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তিনি যার হাত দিয়েই বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত রয়েছে। এবং তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার ও তিনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭ তম অধিবেশনে যোগ দিতে তার ৭৬ তম জন্মদিনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। প্রধানমন্ত্রীর গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ’র সাধারন সভায় সকল বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে তার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে প্রতিবছরের ন্যায় বাংলায় ভাষণ দেন।

যেহেতু আজ বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী তাই সকল নেতাকর্মীরা তার অনুপস্থিতিতে তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা প্রকার কর্মসূচি আয়োজন করবে। কারণ তিনি বাংলাদেশের চার চারবারের সফল প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও এই দিনটিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানা প্রকার কর্মসূচি তো থাকবেই।

যেহেতু এই নিয়ে চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন সে ক্ষেত্রে বলা যায় তার হাত দিয়ে দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কারণে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। তার হাত দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বেড়েছে,দেশ ডিজিটাল হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে অর্থনৈতিক আয় বৃদ্ধি পেয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে,শিল্প কলকারখানা প্রসারের ফলে আরও নতুন
নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমানে বিশ্বনেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা প্রশংসা অর্জন করেছেন। এছাড়া মিয়ানমারের সহিংসিকতায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশ অনেকটাই আন্তরিক ছিল যা শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী জন্যই সম্ভব হয়েছিল। বাংলাদেশে আজ রোহিঙ্গারা শান্তিতে বসবাস করছে তা শুধু প্রধানমন্ত্রীর কারণেই হয়েছে।এইজন্য তিনি বিশ্বে দরবারেও হয়েছেন প্রশংসিত। তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায় যা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।

প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, নদীর তলদেশে কর্ণফুলী ট্রানেল নির্মাণ, কক্সবাজারের উল্লেখিত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, মেট্রোরেল প্রজেক্ট বাস্তবায়ন নির্মাণ, চট্টগ্রামের রিং রোড প্রজেক্ট নির্মাণ, টার্মিনাল স্থাপন, ফ্লাইওভার উড়াল সেতু নির্মাণসহ নানাবিধ উন্নয়নমূলক কাজ, ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়ন, জেলায় জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে ভূমিকা, মানুষের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারের উন্নীতকরণ, প্রতিবছর প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ, দুস্থ শিক্ষার্থীদের আর্থিক প্রণোদনা প্রধান, মাদ্রাসা কর্মমুখী শিক্ষা ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমমান শিক্ষায় স্বীকৃতি প্রদান করা, অর্থনৈতিক প্রভৃতি বৃদ্ধি করা, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষমতা অর্জন, বিদেশের শ্রমিক নিয়োগে বিশেষ চুক্তি স্থাপন কাজে উন্নয়ন, করোনা কালীন সময়ে আর্থিক ও ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র বিমোচনে আর্থিক সহায়তা প্রধান, দুঃসাহসিক চিন্তাভাবনার কারণে করোনা কালীন সময়ে মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রাখা, দেশের সকল মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন এর আয়ত্তে আনা সহ নানাবিদ উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

সম্প্রতি জাতিসংঘের ৭৭ তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী সকল বিশ্বনেতাদের সামনে দুর্যোগের সংকটপূর্ণ সময়ের সঠিক সমাধান তুলে ধরেছেন। যুদ্ধ অস্ত্রের প্রতিযোগিতা ক্ষমতার প্রভাব এবং সার্থগত সংঘাতকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানব মুক্তির অন্তরা হিসাবে চিহ্নিত করে তিনি জবরদোস্তি মূলক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রধান করেছেন, এছাড়াও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার উপর বৈরীপন্থা পরিহার করে পারস্পারিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট ও বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ভাষণে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন, এছাড়াও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনে বিশেষ মোকাবেলা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিষয়েও তিনি আহ্বান জানিয়েছেন। শুধু নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা নয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা প্রদান করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছে। এতে করে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদা আরো অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হাতেই দেশের উন্নয়ন হয়েছে সুতরাং একমাত্র প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের রূপকার। তাই আজকে এই দিনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলায় নানাবিদ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তাই আজকের এই দিনে বিভিন্ন জেলায় প্রধানমন্ত্রী মঙ্গল কামনায় মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন থাকবে বলেও জানিয়েছেন দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।

দুস্থদের মাঝে ইয়াংস্টার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাবার বিতরণ

চট্টগ্রামের নগরীর নব উদ্বোধনকৃত ইয়াংস্টার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ নগরীর বিভিন্নস্থানে অর্ধশতাধিক হতদরিদ্র, ছিন্নমূল, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

উক্ত খাবার বিতরণ কর্মসূচি সকাল ১০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম নিউমার্কেট থেকে শুরু করা হয়।

ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বলেন, আমাদের এই কর্মসূচির উদ্যোশ্য হল অসহায় মানুষ খাদ্যকষ্ট না ভোগেন। এভাবে ছোট ছোট সংস্থা এগিয়ে আসলে আমাদের সমাজের পরিবর্তন আসবে। উপকৃত হবে শত শত হতদরিদ্র মানুষ। আমরা তাই নিজ অর্থায়নে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছি।

খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানের শেষে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দোয়া ও মোনাজত করা হয়।

বিরিয়ানির লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

নিজেস্ব প্রতিবেদক: বিরিয়ানি খাওয়ানোর নাম করে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় পোর্ট কলোনির পরিত্যক্ত বাসায় সুরমা আক্তার নামে সাত বছর বয়সী এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটিকে এক রিকশাচালক তুলে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

শিশুটির বাবা বলেন, ‘বিকেলে এক রিকশাচালক আমার মেয়েকে বলেছে আঙ্কেল এক জায়গায় বিরিয়ানি দিচ্ছে তুই কি আমার সাথে যাবি। তখন আমার মেয়ে ওই চালকের রিকশায় করে চলে যায়। তারপর আমার মেয়েকে আর খুঁজে পাইনি।’

শনিবার থেকে নিখোঁজ হয় শিশু সুরমা আক্তার। এরপর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই শিশুর বাবা-মাকে নিয়ে আসা হয় শনাক্তের জন্য। অথচ তার বাবা-মা পুরো রাত অপেক্ষায় কাটিয়েছেন মেয়েকে জীবিত ফিরে পাবেন এ আশায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেয়েকে পাওয়া গেল প্রাণহীন।

স্থানীয়রা বলেন, ‘এই বাসাগুলো অনেকদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। এগুলো না ভাঙার কারণে দিনেরাতে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছে।’

শিশুটির বাবা বলেন, ‘বিকেলে এক রিকশাচালক আমার মেয়েকে বলেছে আঙ্কেল এক জায়গায় বিরিয়ানি দিচ্ছে তুই কি আমার সাথে যাবি। তখন আমার মেয়ে ওই চালকের রিকশায় করে চলে যায়। তারপর আমার মেয়েকে আর খুঁজে পাইনি।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পরপরই ওই শিশু কন্যাকে হালিশহর বড়পোল থেকে বন্দর পোর্ট কলোনির এই পরিত্যক্ত বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। সুরমা নামের এ শিশু কন্যার বাবা রিকশাচালক এবং মা গৃহকর্মী। ধর্ষণের পর এ শিশু কন্যাকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক রিকশাচালককে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে নোয়াখালীতে ডিবি পুলিশের হাতে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক একজন

বিসিএন২৪ ডেস্ক:গত ১৬/০৯/২০২২খ্রিঃ তারিখে ডিবি পুলিশের নিকট জনৈক আবুল হায়াৎ প্র. রনি তথ্য দেয় যে, অত্র জেলার কবিরহাট থানা এলাকায় মাদলা গ্রামে আব্দুল রহিমের বসতঘরে অস্ত্র গুলি রয়েছে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে এসআই(নি.) মো: সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টীম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনা স্থলের পারিপার্শ্বিকতায় তথ্যদাতার তথ্যের উপর সন্দেহ জন্মায়।তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা মোতাবেক তথ্যদাতা আবুল হায়াত রনিকে হেফাজতে নিয়ে অভিযান শুরু করে এবং তথ্যদাতার দেখানো মোতাবেক ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরী পাইপগান ও ০২(দুই) রাউন্ড কার্তুজ দেখতে পায় এবং জব্দ করে।

ঘটনাস্থলেই উপস্থিত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উক্ত তথ্যদাতা আবুল হায়াৎ প্র. রনি(২৩), পিতা- মৃত আবুল খায়ের, মাতা- ফিরোজা বেগম, সাং- মাদলা(আবুল খায়ের পিয়নের বাড়ী), ৭নং বাটইয়া ইউপি, ০৭ নং ওয়ার্ড, থানা- কবিরহাট, জেলা- নোয়াখালী ও বাড়ীর মালিক আব্দুল রহিমের সাথে জায়গা-জমি সংক্রান্তে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে।

উক্ত বিরোধের জেরে তাদের মধ্যে একাধিক মামলা মোকদ্দমা চলমান। তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মূখে ধৃত আসামীকে ব্যাপক ও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে সে স্বীকার করে যে, পূর্ব বিরোধের কারণে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গতকাল উক্ত রহিমকে ফাসানোর উদ্দেশ্যে উক্ত অস্ত্রগুলি সে রহিম বা তার পরিবারের অজ্ঞাতসারে উক্ত স্থানে রেখে যায়।

এ বিষয়ে ধৃত আসামী আবুল হায়াৎ প্র. রনির বিরুদ্ধে কবিরহাট থানায় অত্য ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রি. তারিখে একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

তথ্য সূত্র নোয়াখালী জেলা পুলিশের ফেসবুক পেইজ

নিজেদের জমিতে নিজেরাই ইমারত গড়ি স্লোগানে ডেমর্সন সিটির সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন

পারভেজ খসরু,ঢাকা: নিজেদের জমিতে নিজেরাই ইমারত গড়ি স্লোগানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নং ওয়ার্ডের ভাটারা থানাধীন ছোলমাইদ ডেমর্সন সিটির বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট শনিবার রাত ৮ ঘটিকার সময় জমির মালিক ও এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর ঢালী দরবার হলে এই সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট জনাব মো: ফুরকান উদ্দিন। এ সময় সভাপতি ডেমর্সন সিটির অগ্রযাত্রা নিয়ে তার ডেমর্সন
সিটির অগ্রযাত্রা নিয়ে তার মূল্যবান বক্তব্য পেশ করেন এবং ডেমর্সন সিটির সাথে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এবং আগামীতে করণীয় কর্মপরিকল্পনা কি হবে এ বিষয় ও সভাপতি তার বক্তব্যের মাঝে তুলে ধরেন।

এই সময় নিজেদের জমিতে নিজেরাই ইমারত গড়ি এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে মুখরিত হয়ে পড়ে সভা চারপাশ।
একপর্যায় ডেমর্সন সিটির চেয়ারম্যান তার বক্তব্যের মাঝে সকলকে পরিবেশ সুন্দর রাখার আহ্বান জানান। পরবর্তীতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উক্ত সভার সমাপ্তি ঘটে।




পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন’কে পদত্যাগ করতে আইনি নোটিশ

নানা সময়ে বিতর্কিত বক্তব্যের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. এ কে এম আব্দুল মোমেন’কে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এরশাদ হোসেন রাশেদ (রোববার ২১ আগস্ট) এই নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশে উল্লেখ্য করা হয় যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ভারতকে যেই অনুরোধ করেছেন, এটা তিনি করতে পারেন না। পাশাপাশি তার বক্তব্যটি সংবিধান বিরোধী উল্লেখ্য করে আরো বলেন যে তিনি বর্তমানে মন্ত্রী পদে থাকার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন।

গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহরের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমী উৎসবের এক  অনুষ্ঠানে ড. এ কে এম আব্দুল মোমেন উপস্থিত সকলের সামনে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, সেটি করতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে তার এই বক্তব্যটি নেট দুনিয়ায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলেছে, কেউ কেউ বলছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মত এ ধরনের একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় আব্দুল মন্নান মোমেনের এ ধরনের বক্তব্য অবশ্যই কুরুচিপূর্ণ এবং এই মুহূর্তে তার পদত্যাগ অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। তাই জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে তার এই বক্তব্যের রেশ না যেতেই ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগের জন্য সুপ্রিম কোর্ট হতে প্রদত্ত আইনি এই নোটিশ।

রক্তঝরা রক্তাক্ত বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইতিহাস বিকৃত বিভীষিকাময় রক্তাক্ত ২১ আগস্ট আজ। যে দিনটি ছিল ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পরবর্তী আরেকটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ২১ আগস্ট যেন হত্যাযজ্ঞের একটি ভয়াল দিন। চারদিকে গ্রেনেডের কালো ধোঁয়া আর মৃত্যুর মিছিল যা এখনো অপমর জনতার মনে কম্পন সৃষ্টি করে।

যারা কখনো বাংলার স্বাধীনতা চাইনি তাদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছিল তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে হত্যা করার মাধ্যমে দেশে একনায়তন্ত্র শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা এবং যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা নষ্ট করে দেওয়া। আজ সেই ২১ আগস্টের ভয়াল স্মৃতি বিজড়িত ১৮তম বার্ষিকী। এই নরকীয় সন্ত্রাসী হামলার মূল লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যা করা, কিন্তু ভাগ্যক্রমে সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও প্রাণ হারায় আইভি রহমান সহ ২৪ জন এবং পাশাপাশি আহতের সংখ্যাও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

২০০৪ সালের এই দিনে বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের সামনে বর্তমান সরকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করা হয়, উক্ত সমাবেশ তৎকালীন বিএনপি জামাত জোট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী একটি ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালায়, সেই গ্রেনেট হামলার মাধ্যমে নিমিষে ধুলিস্যাৎ হয়ে পড়ে জাতির মানবতা। নিমিষে পুরো এলাকার যেন কেঁপে ওঠে।

চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ আর অসহায় মানুষের আর্তনাদ। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা যেন কালো ধোঁয়ায় ধোঁয়া আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে চারদিক; অসহায় মানুষের ছোটাছুটি আহতদের আত্মনাদ ও মৃত ব্যক্তিদের চারদিকে পড়ে থাকার দৃশ্য দেখে যেন সেদিন আসমান পর্যন্ত কেঁপে ওঠে পরিবেশটা নিমিষে কেমন জানি শান্ত হয়ে যায় ঐদিন।

যাকে উদ্দেশ্যে করে এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় তিনি সেদিন ভাগ্যক্রমে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন। তিনি আর কেউ নন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

যিনি সেইদিন গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে। কিন্তু তাকেই সেইদিন হতে হয়েছিল জঘন্য সন্ত্রাসী হামলার শিকার। যদিও সেই সময় মৃত্যুর দুয়ার থেকে বেঁচে যান তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কিন্তু গ্রেনেডের হাত থেকে রক্ষা পাননি সেই সময়ের আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভীর রহমান সহ ২৪ জন নেতাকর্মী, অকালে ঝরে পড়ে আইভি রহমান সহ ২৪ টি তাজা প্রাণ।

পরবর্তীতে গ্রেনেড হামলার বিচারের রায়ে জানা যায় যে বিএনপি জামাত জোট সরকারের মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তা সহ তৎকালীন সরকারের মদদেই এই হামলাটি পরিচালিত হয়েছিল। আজ ২১ আগস্ট ঘৃণিত এই গ্রেনেড হামলার ১৮ তম বার্ষিকী। আজ বাঙালি জাতি সেই সময়ে শাহাদাত বরণকারী ব্যক্তিদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

তাই আজ এই দিনে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন দিনটি পালন করতে নানা রকম কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।